জেলা পুলিশ সম্পর্কিত

Displaying 1-8 of 8 results.

জেলার দর্শনীয় স্থানসমূহ

Picture

নবনির্মিত স্যালুটিং ডায়েস পুলিশ লাইন্স-শরীয়তপুর। যাহা শরীয়তপুর জেলার সাবেক পুলিশ সুপার জনাব সাইফুল্লাহ আল মামুন বিপিএম, পিপিএম মহোদয়ের দিক-নির্দেশনায় নির্মিত।

শরীয়তপুর অনেক দর্শনীয় স্থান রয়েছে তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি স্থানসমূহের নাম নিচে দেয়া হল :-

সুরেশ্বর দরবার শরীফঃ শরীয়তপুর জেলার নড়িয়া উপজেলার সুরেশ্বরে মাওলানা জান শরীফের মাজার অবস্থিত। এখানে প্রতি বছর শীতের শেষে তিন দিনের ওরশ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয় এবং বহু ভক্তের সমাগম হয়।

যোগাযোগ ব্যবস্থাঃ ঢাকা থেকে মাওয়া আসার পর লঞ্চ, সী-বোট, ট্রলার বা ফেরী যোগে নদী পারাপার হয়ে মাঝির ঘাট। মাঝির ঘাট থেকে বাস যোগে সরাসরি নড়িয়া উপজেলায় পৌছানোর পর ট্যাম্পু বা বেবী যোগে সুরেশ্বর দরবার শরীফ এ পৌছানো যাবে অথবা ঢাকার সদর ঘাট হতে লঞ্চ যোগে সরাসরি সুরেশ্বর লঞ্চ ঘাটে নামার পর রিক্সা যোগে যাওয়া যাবে।
দরবার শরীফে থাকা খাওয়ার সু-ব্যবস্থা আছে।
 


বুড়ির হাটের মসজিদঃ
জেলার ভেদরগঞ্জ উপজেলার বুড়ির হাট মসজিদটি খুবই বিখ্যাত এবং ইসলামী স্থাপত্যকলার নিদর্শন। এখানে বেশ কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। বেশ কয়েকটি পরিবারই এখানে বিশিষ্ট। পাশ্ববর্তী দেওভোগ গ্রামে বাংলাদেশের বিশিষ্ট চিত্র শিল্পী দেবদাস চক্রবর্তী- এর জন্মস্থান। তাঁর পুত্র গৌতম চক্রবর্তীও বাংলাদেশের একজন বিশিষ্ট চিত্র শিল্পী। এখানকার মসজিদ জেলার সর্বোৎকৃষ্টের মধ্যে একটি।

যোগাযোগ ব্যবস্থাঃ ঢাকা থেকে মাওয়া আসার পর লঞ্চ, সী-বোট, ট্রলার বা ফেরী যোগে নদী পারাপার হয়ে মাঝির ঘাট। মাঝির ঘাট থেকে বাস যোগে সরাসরি শরীয়তপুর সদর হয়ে বুড়ির হাট মসজিদ।

আবাসন ব্যবস্থাঃ শরীয়তপুর সদর ব্যতীত বুড়ির হাট থাকার কোন সু-ব্যবস্থা নেই।
 


মানসিংহের বাড়ীঃ
নড়িয়া উপজেলায় ফতেজংগপুর ঐতিহাসিক মানসিংহের দুর্গের ভগ্নাবশেষ রয়েছে।

যোগাযোগ ব্যবস্থাঃ ঢাকা থেকে মাওয়া আসার পর লঞ্চ, সী-বোট, ট্রলার বা ফেরী যোগে নদী পারাপার হয়ে মাঝির ঘাট। মাঝির ঘাট থেকে বাস যোগে সরাসরি নড়িয়া উপজেলার হয়ে ফতেজংগপুর ইউনিয়নের মানসিংহের দুর্গের ভগ্নাবশেষ এর স্থানে পৌছানো যাবে।

আবাসন ব্যবস্থাঃ নড়িয়া উপজেলায় থাকা খাওয়ার সু-ব্যবস্থা আছে।
 


হাটুরিয়া জমিদার বাড়িঃ
এককালে স্টিমার স্টেশন ছিল। এখানকার কালিবাড়ি ও সখালুতলার দূর্গা প্রসিদ্ধ। কোলকাতার ঠাকুর বংশীয় জমিদার কালীকৃষ্ণ ঠাকুরের জমিদারি কাচারি এখানে এখনও আছে। বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজকর্মী জনাব শামসুর রহমান (শাহজাদা মিয়া),ব্রিটিশ জমানার বিশিষ্ট মুসলিম জমিদার সেকান্দার আলী চৌধুরী ও তার পুত্র রওশন আলী চৌধুরীর জন্মস্থান। এখানকার জমিদার নওয়াব আলী চৌধুরীও বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব।

যোগাযোগ ব্যবস্থাঃ ঢাকা থেকে মাওয়া আসার পর লঞ্চ, সী-বোট, ট্রলার বা ফেরী যোগে নদী পারাপার হয়ে মাঝির ঘাট। মাঝির ঘাট থেকে বাস যোগে সরাসরি শরীয়তপুর সদর হয়ে গোসাইরহাট উপজেলার হাটুরিয়া জমিদার বাড়িতে যাওয়া যাবে।

আবাসন ব্যবস্থাঃ গোসাইরহাট উপজেলায় থাকা খাওয়ার কোন সু-ব্যবস্থা আছে।
 



শিবলিঙ্গঃ উপমহাদেশের শরীয়তপুর জেলার নড়িয়া উপজেলার ভোজেশ্বর ইউনিয়নে কষ্ঠিপাথরের সর্ববৃহৎ শিবলিঙ্গটি পাওয়া গেছে।বারভূঞাদের প্রভাবকে নস্যাত করার মানসে সম্রাট আকবর তার পুত্র সেলিম (জাহাঙ্গীর) কে এখানে প্রেরণ করেছিলেন। তিনি এখানে একটি সেনানিবাস স্থাপন করেন। সেলিমের নামানুসারে এ গ্রামের নাম পূর্বে ছিল সেলিম নগর। পরে ইহা সিরঙ্গলে পরিণত হয় । ঔপন্যাসিক আবু ইসহাকের জন্মস্থান। এর পাশেই সাতপাড় গ্রামে বিশিষ্ট চিকিৎসাবিদ, সমাজকর্মী এবং এককালীন জাতীয় পরিষদ সদস্য ডাঃ কে এ জলিল জন্মগ্রহণ করেন।

যোগাযোগ ব্যবস্থাঃ ঢাকা থেকে মাওয়া আসার পর লঞ্চ, সী-বোট, ট্রলার বা ফেরী যোগে নদী পারাপার হয়ে মাঝির ঘাট। মাঝির ঘাট থেকে বাস যোগে সরাসরি নড়িয়া উপজেলার  ভোজেশ্বর এর শিবলিঙ্গের কাছে পৌছানো যাবে।

আবাসন ব্যবস্থাঃ নড়িয়া উপজেলায় থাকা খাওয়ার সু-ব্যবস্থা আছে।
 


ধানুকার মনসা বাড়িঃ
চন্দ্রমনি ন্যায়, ভুবন হরচন্দ্র চুড়ামনি ও মহোপাধ্যায়, শ্রীযুক্ত বামাচরণ ন্যায় প্রভৃতির জন্মস্থান ধানুকায়। এখানকার শ্যামমূর্তি জাগ্রত দেবতা বলে কিংবদন্তী রয়েছে।

যোগাযোগ ব্যবস্থাঃ ঢাকা থেকে মাওয়া আসার পর লঞ্চ, সী-বোট, ট্রলার বা ফেরী যোগে নদী পারাপার হয়ে মাঝির ঘাট। মাঝির ঘাট থেকে বাস যোগে সরাসরি শরীয়তপুর সদর উপজেলায় আসার পর রিক্সা যোগে ধানুকা মনসা বাড়ি যাওয়ার সু-ব্যবস্থা আছে।
আবাসন ব্যবস্থাঃ শরীয়তপুর সদর উপজেলায় থাকা ও খাওয়ার সু-ব্যবস্থা আছে।
 


পন্ডিতসারঃ
এই স্থানে শ্যামপুরি হুজুরের মাজার শরীফ অবস্থিত। পৃথিবীর বহুস্থান থেকে এখানে লোক সমাগম হয়ে থাকে। প্রতি বছর ১১ পৌষ হতে তিন দিনের ওরস হয়। এ ছাড়া  পহেলা জ্যৈষ্ঠ তারিখে হযরত শাহ্ সূফি সৈয়দ গোলাম মাওলা হোসায়নী চিশতী শ্যামপুরী (র:) বা শ্যামপুরী হুজুর এর আবির্ভাব দিবস হিসেবে রোজে মোকাদ্দাস দিবস হিসাবে পালিত হয়।

যোগাযোগ ব্যবস্থাঃ ঢাকা থেকে মাওয়া আসার পর লঞ্চ, সী-বোট, ট্রলার বা ফেরী যোগে নদী পারাপার হয়ে মাঝির ঘাট। মাঝির ঘাট থেকে বাস যোগে সরাসরি নড়িয়া উপজেলায় পৌছানোর পর ট্যাম্পু বা বেবী যোগে পন্ডিতসার মাজার শরীফ এ পৌছানো যাবে অথবা ঢাকার সদর ঘাট হতে লঞ্চ যোগে সরাসরি সুরেশ্বর লঞ্চ ঘাটে নামার পর ট্যাম্পু যোগে পন্ডিতসার মাজার শরীফ এ যাওয়া যাবে।

আবাসন ব্যবস্থাঃ নড়িয়া উপজেলাসহ উক্ত মাজার শরীফে থাকা খাওয়ার সু-ব্যবস্থা আছে।
 


রাম সাধুর আশ্রমঃ শরীয়তপুর জেলার নড়িয়া উপজেলার ডিঙ্গামানিক ইউনিয়নে অবস্থিত। এখানে শত বছরের পুরানো এই আশ্রমটি এই ডিঙ্গামানিক ইউনিয়নই গোলক চন্দ্র সার্বভৌম ও শ্রীযুক্ত কালি কিশোর স্মৃতি রত্ন মহাশয়ের বাসস্থান। প্রতি বছর শীতের শেষে এই আশ্রমকে কেন্দ্র করে তিন দিনের মেলা বসে। এ ছাড়াও ডিঙ্গামানিক ইউনিয়নের হোগলা গ্রামের কার্তিকপুরের জমিদার বাড়ি বিখ্যাত।

যোগাযোগ ব্যবস্থাঃ ঢাকা থেকে মাওয়া আসার পর লঞ্চ, সী-বোট, ট্রলার বা ফেরী যোগে নদী পারাপার হয়ে মাঝির ঘাট। মাঝির ঘাট থেকে বাস যোগে সরাসরি নড়িয়া উপজেলার হয়ে ডিঙ্গামানিক ইউনিয়নের রামসাধুর আশ্রমে যাওয়া যাবে।

আবাসন ব্যবস্থাঃ নড়িয়া উপজেলা ও রামসাধুর আশ্রমে থাকা খাওয়ার সু-ব্যবস্থা আছে।
 



রুদ্রকর মঠঃ দেড়শত বছরের পুরনো এই মঠটি শরীয়তপুর সদর উপজেলার রুদ্রকর ইউনিয়নে অবস্থিত।ঐতিহাসিক বিশিষ্ট স্থানের মধ্যে অন্যতম এটি। এখানকার হিন্দুগণ দেশ বিভাগের পূর্বে বিশেষ ভুমিকা পালন করেন। এখানকার মঠ বিখ্যাত। প্রতি বছরই এখানে সাড়ম্বরে পূজা ও কীর্তন অনুষ্ঠান হয়ে থাকে।এই মঠটি দেখার জন্য বহু লোক আসে।

যোগাযোগ ব্যবস্থাঃ ঢাকা থেকে মাওয়া আসার পর লঞ্চ, সী-বোট, ট্রলার বা ফেরী যোগে নদী পারাপার হয়ে মাঝির ঘাট। মাঝির ঘাট থেকে বাস যোগে সরাসরি শরীয়তপুর সদর বাসস্টান্ড থেকে মনোহর বাজার দিয়ে বালার বাজার নেমে রুদ্রকর মঠ যাওয়া যাবে।
আবাসন ব্যবস্থাঃ শরীয়তপুর সদর উপজেলায় থাকা খাওয়ার সু-ব্যবস্থা আছে।
 



জমিদার বাড়ীঃ শরীয়তপুর জেলার ভেদরগঞ্জ উপজেলার অন্তর্গত ছয়গাঁও ইউনিয়নে জমিদার বাড়ী অবস্থিত।ছয়গাঁও এখানকার অন্যতম বিশিষ্ট ঐতিহাসিক স্থান। ব্রিটিশ জমানায় এ গ্রামের বহু হিন্দু নেতা স্বাধীনতা সংগ্রামে উল্লেখযোগ্য ভুমিকা রেখেছেন। ১৯৩০-৩৪ সালের দিকে সন্ত্রাস দমানের জন্য এখানে একটি বৃটিশ ক্যাম্প ছিল যেখানে বহু শিখ সেনা ব্রিটিশ সরকারের নির্দেশে মোতায়েন করা হয়েছিল। বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর ছয়গাঁও বাংলা বাজার নামে একটি বিশিষ্ট জনপদ গড়ে উঠেছে। ইউনিয়নের সকল কার্যক্রম বর্তমানে বাংলাবাজার হতে পরিচালিত হয়। খান বাহাদুর খলিলুর রহমান শিকদারের বাড়ি এখানেই অবস্থিত।

যোগাযোগ ব্যবস্থাঃ ঢাকা থেকে মাওয়া আসার পর লঞ্চ, সী-বোট, ট্রলার বা ফেরী যোগে নদী পারাপার হয়ে মাঝির ঘাট। মাঝির ঘাট থেকে বাস যোগে সরাসরি ভেদরগঞ্জ উপজেলা হয়ে ছয়গাঁও ইউনিয়নের জমিদার বাড়ীতে যাওয়া যাবে।

আবাসন ব্যবস্থাঃ ভেদরগঞ্জ উপজেলায় থাকা খাওয়ার সু-ব্যবস্থা আছে।

জেলা পুলিশের ইতিহাস

জেলা পুলিশের ইতিহাস

৭ই মার্চ ১৯৮৩ সালে জেলা গঠনের ঘোষণা হয়। ১৯৮৪ সালের ১লা মার্চ জেলা হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হয়। বৃটিশ বিরোধী তথা ফরায়েজী আন্দোলনের নেতা হাজী শরীয়তউল্লাহর নামানুসারে এর নাম করণ করা হয় শরীয়তপুর এবং সদর দপ্তরের জন্য পালং থানা অঞ্চলকে বেছে নেয়া হয়। পূর্বে চাঁদপুর, পশ্চিমে মাদারীপুর, উত্তর-পূর্বে মুন্সিগঞ্জ, দক্ষিণে বরিশাল দ্বারা জেলাটি বেষ্টিত। রাজধানী ঢাকা থেকে ৮১ কিঃমিঃ দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত। এ জেলার আয়তন ১,১০২.৪৫ বর্গ কিঃমিঃ, ০৬টি উপজেলা (শরীয়তপুর সদর (পালং), জাজিরা, নড়িয়া, ভেদরগঞ্জ, ডামুড্যা, গোসাইরহাট)। ০৭টি থানা (পালং, জাজিরা, নড়িয়া, ভেদরগঞ্জ, সখিপুর, ডামুড্যা ও গোসাইরহাট)। ০৬টি পৌরসভা (শরীয়তপুর সদর (পালং), জাজিরা, নড়িয়া, ভেদরগঞ্জ, ডামুড্যা, গোসাইরহাট)। ০২টি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র (সন্তোষপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র, হাটুরিয়া পুলিশ তদন্তকেন্দ্র), ০১ টাউন আউট পোষ্ট (আংগারিয়া), ০১টি পুলিশ ফাঁড়ি (চিকন্দী পুলিশ ফাঁড়ি) এবং ০১টি নৌ পুলিশ ফাঁড়ি রয়েছে (সুরেশ্বর নৌ পুলিশ ফাঁড়ি। এ জেলার মোট জনসংখ্যা ১০,৮২,৩০০ জন। শরীয়তপুর বাংলাদেশের একটি ঐতিহ্যবাহী জেলা।

ভৌগলিক পরিচিতি

Picture

ভৌগলিক পরিচিতি

অবস্থান

 

শরীয়তপুর জেলা ও ৬টি উপজেলার ভৌগলিক অবস্থান

 

ক্রমিক নং

জেলা/উপজেলা

আয়তন (বর্গ কিঃমিঃ)

উত্তর অক্ষাংশ

পূর্ব দ্রাঘিমাংশ

০১

শরীয়তপুর

১১০২.৪৫

২৩.০১থেকে ২৩.২৭

৯০.১৩ থেকে ৯০.৩৬

০২

শরীয়তপুর সদর

১৭৫.০৮

২৩.০৮ থেকে ২৩.১৮

৯০.১৪ থেকে ৯০.২৩

০৩

জাজিরা

২৩৯.৬০

২৩.১৬ থেকে ২৩.২৭

৯০.১৩ থেকে ৯০.২৬

০৪

নড়িয়া

২১৮.৭০

২৩.১৪ থেকে ২৩.২৫

৯০.১৮ থেকে ৯০.৩০

০৫

ভেদরগঞ্জ

২৪৬.২০

২৩.০৮ থেকে ২৩.২৪

৯০.২৩ থেকে ৯০.৩৬

০৬

ডামুড্যা

৯১.০০

২৩.০৬ থেকে ২৩.১২

৯০.২০ থেকে ৯০.৩০

০৭

গোসাইরহাট

১৩৩.১০

২৩.০১ থেকে ২৩.১০

৯০.২০ থেকে ৯০.৩৪

তথ্যেও উৎস : :Bangladesh Population Census, 2001  

 

শরীয়তপুর জেলার-

·        উত্তরে মুন্সিগঞ্জ জেলা,

·        দক্ষিণে বরিশাল জেলা,

·        পূর্বে চাঁদপুর জেলা এবং

·        পশ্চিমে মাদারীপুর জেলা অবস্থিত।

সীমানা